এস এম জহিরুল ইসলাম
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের সংবাদ সংগ্রহের জন্য সব নির্বাচনে সাংবাদিকূের পরিচয় পত্র দেয় নির্বাচন কমিশন। ঢাকার বাহিরের সাংবাদিকদের রিটার্নিং অফিসারের মাধ্যমে দেয়া হয় এই পরিচয় পত্র। এবার এ নিয়ে নানা নাটক দেখিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এতে করে বিস্মিত গণমাধ্যম কর্মীরা ও সচেতন মহল। প্রথমে অনলাইনে আবেদন করার জন্য ঢাকঢোল পিটায় ইসি কিন্তু অনলাইনে আবেদন করতে নানা বিড়ম্বনা দেখা দেয়। বিশেষ করে মফস্বল সাংবাদিকরা বিপাকে পড়ে যায়। শহরের সাংবাদিকরাও ব্যর্থ হয় অনলাইন আবেদনে। এই অবস্থার অবসানের জন্য বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের দাবীর পেক্ষিতে পুর্বের ন্যায় ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে কার্ড দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় ইসি। প্রথমে শুধুমাত্র ডিএফপি মিডিয়াভু্ক্ত প্রিন্ট পত্রিকা ও তথ্য মন্ত্রণালয় অনুমোদিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও আইপি টিভিকে কার্ড দেয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত সেই সিদ্ধান্তে অটল থাকতে পারেনি ইসি। নাম সর্বস্ব অনলাইন, পেইজ ও নিবন্ধনহীন অনেক কার্ড দেয়ার অভিযোগ উঠছে ইসির বিরুদ্ধে। অনেক রিটার্নিং কর্মকর্তারা মুল ধারার সাংবাদিকদের কার্ড না দিয়ে ভুঁইফোড় প্রতিষ্ঠানকে কার্ড দিয়েছে।
এ নিয়ে নির্বাচন কমিশন ও বেশ কয়েকটি জেলায় সাংবাদিকদের অসন্তোষ প্রকাশ করতে দেখা গেছে। প্রশ্ন উঠছে নিজেরা নীতিমালা করে আবার নিজেরাই না মেনে নানা অনিয়ম করছে। সারাদেশে এ নিয়ে চলছে নানা আলোচনা সমালোচনা। অনেক রাজনৈতিক কর্মীরা কৌশলে হাতিয়ে নিয়েছে সাংবাদিক পরিচয় পত্র। বিভিন্ন পর্যবেক্ষক সংস্থার কার্ডও চলে গেছে অপাত্রে। রাজনৈতিক নিষিদ্ধ ঘোষিত আঃ লীগের অনেকের গলায়ই পর্যবেক্ষণ ও সাংবাদিক পরিচয় পত্র। সব মিলিয়ে প্রশ্নবিদ্ধ এ নির্বাচন কমিশনের কর্মকাণ্ড।