নড়াইল জেলা লোহাগড়া উপজেলার ০৮নং দিঘলিয়া ইউনিয়নের ০৮নং লুটিয়া ওর্য়াড ও ০৯নং চরদিঘলিয়া ওর্য়াড নিয়ে পাশাপাশি দুটি গ্রামে মুসলিম সম্প্রদায় ও হিন্দু সম্প্রদায়ের বসবাস করে আসছে দীর্ঘদিন। তবে হিন্দু সম্প্রদায়ের জনসংখ্যা বেশি,অধিকাংশ পুরুষ বাড়িতে থাকে না,তাদের পেশাগত ব্যবসার কাজে বাড়ির বাহিরে থাকে।আবার কেউ বিদেশে থাকে।
এদিকে চোরের উৎপাত বেড়ে যাওয়ার কারনে এলাকার বসবাসকারী লোকজন অতিষ্ঠিত হয়ে পড়েছে।প্রতিরাতে কোন না কোন বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটতেছে।
এক সময় চোরের উৎপাত যদিও বেশি ছিলো তবে বেশ কিছু দিন ভালো ছিলো সমাজের মানুষ।বর্তমান আবারও শুরু হয়ে গেছে চুরির ঘটনা।বাড়ির বাহিরে কোন কিছু রাখলে চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে আবার সুযোগ পেলে চোর হয়ে ঘরে ঢুকে ডাকাতি করে নিয়ে যাচ্ছে।
যদিও চোরদের চিনতে পারছে তবে ভয়ে মুখ খুলতে পারছেন অনেকেই।এভাবে যদি চোরের প্রবনতা বৃদ্ধি পায় তাহলে গ্রামে বসবাস করা অসম্ভব হয়ে পড়বে।
দিঘলিয়া ইউনিয়নে লোহাগড়া থানার পুলিশ অফিসারগন দায়িত্ব রয়েছে তাদেরকে এবিষয় নজর দিতে হবে বলে মনে করেন সমাজের সচেতন মহল।এছাড়াও প্রতিটি ওয়াডে একজন করে গ্রামপুলিশ রয়েছে তাদের ও দায়িত্ব রয়েছে কিন্তু তারা দায়িত্ব পালন করছেন না বলেও এলাকাবাসীর অভিয়োগ।
নড়াইল জেলা পুলিশ সুপার মহোদয়ের প্রতি আকর্ষন আপনি মাদকদ্রব্য, নেশাজাতদ্রব্য যেমন বিভিন্ন প্রশাসনের মাধ্যমে গ্রেফতার করার অনুমোদন দিয়েছেন এবং গ্রেফতার করতেছে ধন্যবাদ জানিয়েছে নড়াইল জেলাবাসী।
তেমনি করে চোর নিধনের জন্য নিকটস্থ থানার দায়িত্ব ওসিদের নির্দেশ প্রদান করুন যাতে প্রতিটি ইউনিয়ন বীটের দায়িত্বরত পুলিশ ও গ্রাম্য পুলিশ একসাথে সমাজের স্বার্থে, মানুষের শান্তির স্বার্থে,দেশের স্বার্থে চোরদের গ্রেফতার করে আইনের মাধ্যমে সাজার ব্যবস্থা করতে পারে।
সমাজ নস্ট হবে এমন কোন কাজে সংযুক্ত রয়েছে তাদেরকেও আইনের আওয়াধীন এনে বিচারের দাবি সচেতন মহলের।
প্রতিবেদকঃ সাংবাদিক মোঃ এনামুল হক
মোবা-০১৭১৮-১২৪৬২৮