বগুড়া প্রতিনিধিঃ-বগুড়ার ধুনট উপজেলায় চান্দিয়ার পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব কে এম ইমরুল কায়েস খান ও বিশ্বহরিগাছা বহালগাছা দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জনাব রাশেদুল বারী খানকে নিয়ে চলছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভূয়া,মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন তথ্য প্রচারের জেরে উত্তেজনা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, Hasan Ullah নামের একটি ফেসবুক একাউন্ট থেকে, ব্যক্তি গত আক্রোশে উক্ত দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ‘চাঁদাবাজি ও মাদক সেবন’ সংক্রান্ত মিথ্যা অভিযোগ প্রচার করা হয়।যদিও এ ধরনের কর্মকাণ্ডে তাদের কোনো সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া যায়নি।দীর্ঘ দিন হলে,ব্যক্তি আক্রোশে শ্রেষ্ঠ শিক্ষকের সম্মান হানি করার চেষ্টা করছে।এলাকাবাসীও এসব অভিযোগকে সম্পূর্ণ বানোয়াট বলে দাবি করেছেন।
জনাব কে এম এমরুল কায়েস খান ধুনট উপজেলার শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক নির্বাচিত হন এবং তার হাতে গড়া শতশত শিক্ষার্থী বর্তমানে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ও সরকারি-বেসরকারি চাকরিতে নিয়োজিত আছেন।তার মতো একজন সুনামধন্য শিক্ষকের নামে এমন মানহানিকর অপপ্রচার এলাকাবাসী কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না।
এদিকে, উক্ত ভুয়া পোস্টটি MD Rokibul Hasan Shekh (রকেট) নামের একজন শেয়ার করলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়।গত বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট ২০২৫) বিকেল ৩টার দিকে বিশ্বহরিগাছা বাজারে রকিবুল হাসান শেখের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে এ নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে হাতাহাতি শুরু হয়।এ সময় দোকানদার রকিবুল হাসান শেখ প্রধান শিক্ষক এমরুল কায়েস খানকে ঘুষি মারেন বলে অভিযোগ ওঠে।পরে পাল্টা ধাক্কাধাক্কি ও মারধরের ঘটনা ঘটে।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জনাব রেজাউল হক দুলাল,আঃ করিম মণ্ডল,তারিকুল ইসলাম প্রমুখ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন।এক পর্যায়ে রকিবুল হাসান শেখ দোকান থেকে রট বের করে হামলা চালালে উপস্থিত লোকজন তা ছিনিয়ে নেন।ধস্তাধস্তির সময় রকিবুল হাসান পড়ে গিয়ে মোটরসাইকেলের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে মাথায় আঘাত পান।
পরে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করে।আহত রকিবুল ইসলামকে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। শিক্ষকদের মানহানিকর ভুয়া তথ্য প্রচারের নেপথ্যে কারা জড়িত,তা খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।