হাইকোর্টের আদেশ থাকা সত্তেও নড়াইল সদরের আউড়িয়া গ্রামের মের্সাস রুপা ব্রিকসের কার্যক্রম বন্ধের কোন উদ্যোগ না নেওয়ায় সংবাদ সম্মেলন অনুষ্টিত হয়েছে।শুক্রবার ২৪ মার্চ-২০২৩ইং সকালে আউড়িয়া এ পি বি এস এল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি ও আউড়িয়া বাজার বনিক সমিতির সভাপতি মো: মাসুদ সিকদার এই সংবাদ সম্মেলন করেন।আউড়িয়া এ পি বি এস এল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন তিনি।এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন যুবলীগ নেতা কামরুল হাসান,আউড়িয়া ইউনিয়নের ১নং ওর্য়াডের মেম্বর মো: ওসমান গনি,আতিকুর রহমান প্রিন্স প্রমুখ।বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি ও আউড়িয়া বাজার বনিক সমিতির সভাপতি মো: মাসুদ সিকাদার তার লিখিত বক্তব্যে বলেন,মের্সাস রুপা ব্রিকস আউড়িয়া গ্রামের ঘন বসতি এলাকায় অবস্থিত।ইটভাটার ২৫০মিটারের মধ্যে একটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ৫০০মিটারের মধ্যে একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়,৫০মিটারের মধ্যে ঈদগাহ, কবরস্থান,মাদ্রাসা ও মসজিদ অবস্থিত।মের্সাস রুপা ব্রিকসের অবৈধ নছিমন ট্রাক্ট্রর কোন আইনের তোয়াক্কা না করে চলাচল করছে।বছর দুই আগে আউড়িয়া গ্রামের গফফার মোল্যার ছেলে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র রানা মোল্যা এ অবৈধ গাড়ীর চাপায় পড়ে নিহত হয়েছে।শুকনো মৌসুমে ইটভাটার কারনে ধূলাবালি ও বর্ষার সময় কাদা সৃষ্টি হয়।এ সব কারনে জেলা প্রশাসক,জেলা পরিবেশ অধিদপ্তর বরাবর আবেদন করে কোন প্রতিকার না পাওয়ায় হাইকোর্টে ১১৮১/২০২৩ নং রীট পিটিশন দাখিল করেন।উভয় পক্ষে শুনানী শেষে ফেব্রয়ারী মাসের ১৬তারিখে উক্ত ইটভাটা বন্ধের জন্য জেলা প্রশাসক নড়াইল,জেলা পরিবেশ অধিদপ্তর নড়াইল ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে আদেশ প্রদান করেন।উক্ত আদেশের কপি অনুষ্ঠানিক ভাবে উক্ত কর্মকর্তাগন পেলেও আজও পর্যন্ত উক্ত ইটভাটা বন্ধের জন্য কোন কার্যক্রম করেন নাই বলে অভিযোগ করেন।অপর দিকে মের্সাস রুপা ব্রিকসের মালিক মো: মুক্ত শেখ বলেন,হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্দে তারা আপিল করেছেন,মহামান্য আদালত আপিল শুনানী না হওয়া পর্যন্ত তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যেতে বলেছেন।তবে তিনি হাইকোর্টে আফিলের কোন কাগজ দেখাতে পারেনি।
Leave a Reply