স্টাফ রিপোর্টারঃ আর জে নুরনবী ইসলাম রাজ, ২২ আগষ্ট,২০২৫(শুক্রবার) লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলাধীন দহগ্রাম ইউনিয়নের গুচ্ছগ্রাম বাজারে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দহগ্রাম ইউনিয়ন শাখা কর্তৃক দহগ্রাম ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণ কে সাথে নিয়ে এক প্রতিবাদ সভা ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ১৬ লালমনিরহাট -১ (পাটগ্রাম-হাতিবান্ধা) আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দলের মনোনীত জাতীয় সংসদের সংসদ সদস্য প্রার্থী মু. আনোয়ারুল ইসলাম রাজু।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাবেক আমীর লালমনিরহাট জেলা ও কেন্দ্রীয় কমিটির সূরা সদস্য আতাউর রহমান, সাবেক আমীর, পাটগ্রাম জামায়াতে ইসলামির আবুল কালাম আজাদ,পাটগ্রাম উপজেলা জামাতের আমীর হাফেজ মোঃ সোয়াইব আহমেদ, জামায়াতে ইসলামী পাটগ্রাম উপজেলা শাখার সেক্রেটারি মোঃ মনোয়ার হোসেন লিটন।জামায়াতে ইসলামী পাটগ্রাম পৌর আমীর মোঃ সোহেল রানা, দহগ্রাম ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামি বাংলাদেশ এর সহ সভাপতি মোঃ আলমগীর হোসেন সহ পাটগ্রাম উপজেলা জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ, দহগ্রাম ইউনিয়ন ও বিভিন্ন ইউনিয়নে জামাতের দায়িত্বরত ব্যক্তিত্ব।
বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভায় আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক, মোঃ রেজানুর রহমান।
অনুষ্ঠানে দহগ্রাম ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের সভাপতি, মোঃ সাহাবুদ্দিন মাষ্টারের সভাপতিত্বে, অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন দহগ্রাম ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি এইচ, এম মোস্তফা কামাল।
বিক্ষোভ মিছিল শেষে গুচ্ছগ্রাম বাজারে প্রতিবাদ সভায় বক্তরা দহগ্রাম ইউনিয়ন নিয়ে ভারতীয় অনৈতিক ও বৈষম্যমূলক আচরণের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
বিশেষ করে প্রান্তীক কৃষকদের আবাদি ফসল ও গবাদি পশু যাতে নির্বিঘ্নে তিনবিঘা করিডোর উপর দিয়ে আনা -নেওয়া করতে পারে সে বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস ও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি অনুরোধ জানান,এ বিষয়ে প্রধান অতিথি জনাব মু. আনোয়ারুল ইসলাম রাজু তার বক্তব্যে বলেন, ১৯৭৪ সালের ইন্দিরা -মুজিব চুক্তির বিনিময়ে আমরা তিনবিঘা করিডোর পেয়েছি,
কেন? দহগ্রাম ইউনিয়নের ১৮ হাজার জনসাধারণের প্রতি ভারত সরকার নিষ্ঠুর আচারন করছে এর দ্রুত সমাধান চান তিনি, প্রয়োজনে তিনি ঢাকায় প্রেস কনফারেন্স করবেন,দহগ্রাম ইউনিয়ন বাসীর পক্ষ থেকে প্রতিনিধিদের সাথে নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার সাথে দেখা করে তিনবিঘা করিডোরের উপর দিয়ে ফ্লাইওভার নির্মাণের জোড় দাবি জানাবেন। পাশাপাশি দহগ্রাম ইউনিয়নে প্রস্তাবিত আরো দু’টি বিজিবি ক্যাম্প কেন হচ্ছে না এ বিষয়ে ৫১ বিজিবির উর্ধতন কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন তিনি।
তিস্তা নদীর গর্ভে থেকে দহগ্রাম রক্ষাপায় সে বিষয়ে বক্তব্য প্রদান করেন তিনি।
সবশেষে দহগ্রাম ইউনিয়ন বাসীর পক্ষে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর ১১ টি দাবি সম্মিলিত স্মারকলিপি পড়ে শুনানোর পাশাপাশি দহগ্রাম ইউনিয়ন বাসীর সফলতা,আগামী জাতীয় সাংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশে পক্ষে সবার কাছে সমর্থন ও দোয়া চেয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভার সভাপতি মোঃ শাহাবুদ্দিন মাষ্টার