নিজস্ব প্রতিবেদকঃ যখন কোন রোগীর ক্যান্সার ডায়াগনোসিস হয়,স্বাভাবিকভাবেই তার পুরো পরিবারে শংকার ছায়া নেমে আসে।বাংলাদেশের মত একটা নিম্ন আয়ের দেশ,যেখানে দুবেলা দুমুঠো খাবার যোগাতে অনেক কে হিমশিম খেতে হয়,তাদের জন্য পাঠ্যপুস্তকের জ্ঞান,ইন্টারন্যাশনাল গাইডলাইন,স্ট্যান্ডার্ড প্রোটোকল কথাগুলি অনেক ক্ষেত্রে প্রহসন মনে হয়।
এরপর আছে রোগীরা কখন ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের শরণাপন্ন হয়…দৃশ্যপট কমবেশি একই।প্রথমে ফার্মেসি,এরপর পল্লী চিকিৎসক,হোমিওপ্যাথি,কবিরাজি কিংবা প্রতিবেশীর পরামর্শে ঝাঁড়ফুক।নিদেনপক্ষে MBBS চিকিৎসক দেখিয়ে কিছু রোগী ভাগ্যক্রমে আমাদের কাছে পৌঁছে।
এরপর নিতান্তই প্রয়োজনীয় পরীক্ষা নীরিক্ষা করে যখন কেমোথেরাপি,সার্জারি বা রেডিওথেরাপির খরচ সম্পর্কে বলি তখন রোগীর স্বজনদের মধ্যে দেখা দেয় অবিশ্বাস।ইতোমধ্যে অনেক টাকা খরচ করে ফেলে তারা ক্লান্ত।এই সুপার স্পেশালাইজড চিকিৎসা নিয়ে না আছে তাদের ধারণা,না আছে অভিজ্ঞতা।ডাক্তারের পিছনে তাদের ব্যয় টা যে যৎসামান্য এটা তারা বুঝতে পারেনা।অনকোলজিস্ট বা ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ এই সিস্টেমের একটা অংশ মাত্র,যে রোগীর ক্যান্সার জার্নিটাকে গাইড করে।
প্রত্যেকটা ক্যান্সার রোগী ইউনিক বা অনন্য।কারো চিকিৎসা হয় পুরোপুরি সুস্থ হওয়ার উদ্দেশ্যে,কারো শুধুমাত্র জীবন কে প্রলম্বিত করার উদ্দেশ্যে।কারো বা শুধু কোয়ালিটি অফ লাইফ উন্নত করার উদ্দেশ্যে।সঠিক সময়ে চিকিৎসা শুরু করলে ভালো ফলাফল আশা করা যায়।
ডা:শবনম সুলতানা
সহ:অধ্যাপক
(ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ)
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল